সারাদেশে সরকার ঘোষিত সর্বাত্মক লকডাউন নিশ্চিতে মাঠে রয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট, সেনাবাহিনী, পুলিশের সমন্বয়ে যৌথ টিম। প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিদিনই চলছে জনসচেতনতামুলক প্রচারণা ও জোরদার টহল। কিন্তু এই করোনাকালীন সময়ে থেমে নেই বাল্যবিবাহ। প্রশাসনের চোখ ফাকি দিয়ে হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে চলছিলো এমনই এক বাল্যবিবাহের আয়োজন।

শুক্রবার (৩০ জুলাই) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে বাল্য বিবাহ বন্ধ করতে অভিযান চালান উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মতিউর রহমান খাঁন। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে কনের মাকে নগদ ৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়। একইদিন উপজেলার বিভিন্ন স্থানে আরও ৭টি মামলায় ৩ হাজার ২০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মতিউর রহমান খাঁনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সরকার ঘোষিত সারাদেশে কঠোর লকডাউনের অষ্টম দিন শুক্রবার (৩০জুলাই) সকাল থেকেই ম্যাজিস্ট্রেট, সেনাবাহিনী,পুলিশের সমন্বয়ে যৌথ টিম উপজেলার বিভিন্ন স্থানে জনসচেতনতামূলক প্রচারনা ও অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে স্বাস্থ্যবিধি না মানা ও লাইসেন্স ছাড়া মোটরযান চালানোর দায়ে ৭ জনকে নগদ ৩ হাজার দুইশত টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়। একইদিন দুপুরবেলা উপজেলার কাকাইলছেও ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে এক কিশোরীর বাল্য বিয়ের আয়োজনের খবর পেয়ে ঘঠনাস্থলে পৌঁছান উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মতিউর রহমান খাঁন। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বাল্যবিবাহের আয়োজন করার দায়ে কিশোরীর মাকে নগদ ৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মতিউর রহমান খাঁন বলেন, সারাদেশ ব্যাপী করোনা ভাইরাস সংক্রামণ নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।