দিনরাত সেন্ট্রাল ডেস্ক : জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় মারাত্মক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে আজ আবারও বিএনপির চেয়ারপারসেন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবীরা।

সোমবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে আবারও বেগম জিয়ার জামিন আবেদন করা হবে। এবার জামিন পাবেন বলেও প্রত্যাশা করছেন আইনজীবীরা।

এবিষয়ে খালেদা জিয়ার আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করে বলেন, আমরা আজ আদালতের কাছে খালেদা জিয়ার অসুস্থতার কারণে জামিন আবেদন নিয়ে যাবো আবার। আসা করছি তিনি ন্যায় বিচার পাবেন। তার জামিন পাওয়া পূর্ণ অধিকার রয়েছে।

এদিকে, দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, আইন সাজা দিয়েছে এবং তা আইনিভাবেই মোকাবিলা করতে হবে। এক্ষেত্রে কোনো সহানুভূতি দেখানো হবে না।

প্রমঙ্গত, দেড় মাস বন্ধ থাকার পর রবিবার খুলেছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

প্রসঙ্গত ২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সাত বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকার অর্থদণ্ড দেন আদালত। এর পর ওই বছরের ১৮ নভেম্বর বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে জামিন ও খালাস চেয়ে হাইকোর্টে আপিল করেন খালেদা জিয়া।

দুদকের জিয়া অরফানেজ ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ১৭ বছরের কারাদণ্ড নিয়ে গত বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কারাগারে খালেদা জিয়া। বর্তমানে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী এখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের ৬০২ নম্বর ক্যাবিনে চিকিৎসাধীন। খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ৩৬টি মামলা রয়েছে।

উল্লেখ্য, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট রাজধানীর তেজগাঁও থানায় মামলাটি করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন— খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।