পিএসজিতে যোগ দেয়ার পর থেকেই নেইমারের সঙ্গে চোটের দেখা হচ্ছে হরহামেশা। যার সর্বশেষটা পেয়েছেন কায়েঁর বিপক্ষে ফরাসি কাপে। কমপক্ষে এক মাসের জন্য ছিটকে গেছেন তিনি। তবে বারবার এমন চোটে পড়ে ছিটকে গিয়ে ধৈর্যের বাঁধ যেন ভেঙে গেছে নেইমারের। সম্প্রতি ইনস্টাগ্র্যামে এক বার্তায় জানালেন, এভাবে আর সহ্য হচ্ছে না তার।

ফরাসি কাপের ম্যাচটিতে ৬০ মিনিটে এই চোট পান তিনি। পরে জানা যায়, বাম অ্যাবডাক্টরে চোট পেয়েছেন। সেরে ওঠার জন্য চাই কমপক্ষে চার সপ্তাহ।

এরপর ব্যক্তিগত ইনস্টাগ্রামে তিনি বলেন, ‘এ দুঃখ বিশাল, এ ব্যাথার সীমা নেই, এ কান্নারও শেষ নেই। ফুটবল থেকে আরও কিছুদিন দূরে থাকব, অথচ এ খেলাটাকেই আমি সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি! আমার খেলার ধরনের কারণেই বেশি ফাউলের শিকার হই, কখনো সখনো বেশ অস্বস্তিও বোধ করি এতে।’

এক কায়েঁর বিপক্ষে ম্যাচেই নেইমার কমপক্ষে দুটো গুরুতর ফাউলের শিকার হয়েছেন। যার শেষটায় বেরিয়ে যেতে হয়েছে মাঠ থেকেই। এরপর খবর এসেছে, নেইমার ছিটকে গেছেন কমপক্ষে চার সপ্তাহের জন্য।

তবে ব্রাজিলীয় তারকা নেইমার এরপরও সমালোচনার মুখে পড়েছেন বেশ। এক্ষেত্রে হতাশাও ঝরেছে তার কণ্ঠে, ‘সমস্যাটা আমার না মাঠে যা করি তার, সেটা বুঝি না। এটা আমাকে কষ্ট দেয়। সে ইচ্ছাকৃতভাবে মাঠে পড়ে যায়, সে শিশুর মতো কাঁদে… এসব যখন শুনি, সেটা কোনো খেলোয়াড়, কোচ কিংবা সাবেক খেলোয়াড়দের মুখ থেকে, বেশ কষ্ট পাই।’

মাঠের চোটের সঙ্গে বাইরের সমালোচনা সহ্য হচ্ছে না আর নেইমারের। বললেন, ‘সত্যি বলতে, আমি এতে খুবই কষ্ট পাই। আমি জানি না, আর কত সইতে পারব। দিনশেষে ফুটবল খেলেই খুশি থাকি আমি, সেটাই করে যেতে চাই। আর কিছু নয়।’

কায়েঁর বিপক্ষে এই চোটের কারণে ন্যু ক্যাম্পে ফেরত যাওয়া হচ্ছে না নেইমারের। আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারির ম্যাচটা তো বটেই, নেইমারের শঙ্কা আছে আগামী ১০ মার্চের ফিরতি লেগে খেলা নিয়েও। যা হলে শেষ চার মৌসুমে এ নিয়ে তৃতীয় বারের মতো পিএসজির চ্যাম্পিয়ন্স লিগের দ্বিতীয় রাউন্ডের লড়াই চোটের কারণে খেলতে পারবেন না ব্রাজিলিয়ান এই ফরোয়ার্ড।