হবিগঞ্জবাসী এবার প্রথমবারের মত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে পুস্পস্তবক অর্পণ করবেন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। এর আগে সবাই সরকারী বৃন্দাবন কলেজের শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করতেন। কালেক্টরেট ভবন সংলগ্ন নব নির্মিত শহীদ মিনারে পুস্পস্তব অর্পণ বিষয়ে এক মতবিনিময় সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসানের সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়ার সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় বক্তৃতা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শিক্ষা ও আইসিটি বিজেন ব্যানার্জী, সাবেক পৌর চেয়ারম্যান শহীদ উদ্দিন চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক এডভোকেট মো. আলমগীর চৌধুরী, হবিগঞ্জ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাচ্ছিরুল ইসলাম, প্রেসক্লাব সভাপতি চৌধুরী মোহাম্মদ ফরিয়াদ, জেলা জাতীয় পার্টির সাধারন সম্পাদক জালাল খান, জাসদের সাধারন সম্পাদক আবু হেনা মোস্তফা কামাল, জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সাধারন সম্পাদক পিযুশ চক্রবর্তী, জেলা বাসদের সমন্বয়ক এডভোকেট জুনায়েদ মিয়া, শাহ জয়নাল আবেদীন রাসেল, এডভোকেট নুরুল ইসলাম তালুকদার।

সভায় জেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক,সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করতে পারবেন কিনা জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান বলেন, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার হবে জেলার সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু। এখানে যাতে সৃজনশীল বিভিন্ন কর্মকান্ড পরিচালনা করা যায় তার জন্য বেদী বড় করা হয়েছে। এই শহীদ মিনারে কেউ চাইলে জেলা প্রশাসকের কোন বিষয়ের প্রতিবাদ জানাতেও কর্মসূচি পালন করতে পারে।

জেলা প্রশাসক বলেন, ২০ ফেব্রুয়ারী দিবাগত রাতে সু-সৃঙ্খলভাবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হবে। এছাড়াও জেলা প্রশাসনের দিনব্যাপি কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার জন্য সবাইকে আমন্ত্রন জানান। পরে সবাইকে নিয়ে জেলা প্রশাসক শহীদ মিনারের নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন।