সিলেট এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গৃহবধূকে গণধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা দুটি মামলা একই আদালতে চলবে না। শুধুমাত্র ধর্ষণ মামলাটি আদালতে চলমান থাকবে বলে আদেশ দিয়েছেন বিচারক।

বুধবার দুপুরে বিবাদী পক্ষের আইনজীবীর দাখিলকৃত পিটিশনের শুনানী শেষে সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মোহিতুল হক চৌধুরী এ আদেশ দেন।

তবে দুটি মামলার বিচারকার্য একই আদালতে চলার জন্য হাইকোর্টে আবেদন করবেন বলে বিচারককে অবগত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী।

হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত আসার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানান বিচারক।

এ ব্যাপারে বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘একই আদালতে দুটি অভিযোগপত্রের বিচার চলেতে পারে। আমরা এজন্য পিটিশন দাখিল করেছি। কিন্তু শুনানী শেষে আদালত তা না মঞ্জুর করে ধর্ষণ মামলার বিচার আদালতে চলমান থাকবে বলে জানিয়েছেন। এজন্য আমরা হাইকোর্টে পিটিশন দাখিল করে দুটি অভিযোগপত্রের বিচার একই আদালতে চলার জন্য আবেদন করব।’

আসামী পক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন বলেন, ‘বাদী পক্ষ চাচ্ছেন দুটি মামলার বিচার একই আদালতে চলতে। কিন্তু এটা আদালত মানেননি। এ নিয়ে আজ বিস্তারিত আরোচনা হয়েছে। যার জন্য বুধবার আদালতে কোন সাক্ষ্য গ্রহণ হয়নি।

এর আগে বুধবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে ধর্ষণ মামলার ৮ আসামীকে হাজির করা হয়।

গেল বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে এক গৃহবধূকে (২০) দল বেঁধে ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় তার স্বামী বাদী হয়ে মহানগর পুলিশের শাহপরান থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং দুজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেন।