সুনামগঞ্জের শাল্লায় নোয়াগাঁও গ্রামে সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদে এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির প্রতিবাদে হবিগঞ্জ জেলা বামপন্থী সংগঠনসমূহের আয়োজনে স্থানীয় আর.ডি হল মাঠে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি কমরেড হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে ও বাসদ (মার্কসবাদী) সংগঠক শফিকুল ইসলামের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন- জেলা বারের সিনিয়র আইনজীবী সিপিবি নেতা এড. মুখলিছুর রহমান, জেলা সিপিবি সাধারণ সম্পাদক পীযুষ চক্রবর্তী, জেলা বাসদ নেতা এড. জুনায়েদ আহমেদ, জেলা জাসদ সাধারণ সম্পাদক সাবেক ভিপি আবু হেনা মোস্তফা কামাল, গণজাগরণ মঞ্চের সংগঠক হুমায়ুন খান, যুব ইউনিয়ন নেতা এড. পিনাক দেবনাথ, জেলা যুবজোট নেতা সারওয়ার জাহান চৌধুরী লিটন, ছাত্র ইউনিয়ন জেলা সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক অংকন রায় প্রমুখ।

কর্মসূচীর প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন- জেলা বারের সিনিয়র আইনজীবী এড. রনধীর দাশ, চৌধুরী মহিবুন্নূর ইমরান, ছাত্র ইউনিয়ন নেতা প্রনব পাল, ইমদাদ মোহাম্মদ, শ্রমিক নেতা সামছুর রহমান, শেখ আব্দুল মোতালিব, বিজ্ঞান আন্দোলন মঞ্চের সংগঠক আলিফ রায়হান।

সভায় বক্তাগণ বলেন- মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি নতুন করে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। বড় দুইদলের কাঁধে ভর করে জামাত এবং হেফাজত সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের পায়তারা করছে। দেশে মুক্তিকামী দেশপ্রেমিক মুক্তমনের মানুষ তাদের এই অপকর্মের সাথে নেই। তারা নাসিরনগর, রামুসহ অসংখ্য স্থানে এ জাতীয় হামলা চালিয়েছে। সরকার তাদেরকে আইনের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে ব্যর্থ হয়েছে। ফেসবুকের তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শত শত সাধারণ মানুষকে ভুল বুঝিয়ে নিরীহ গ্রামবাসীর উপর আক্রমণ কোনভাবেই দেশের মানুষ বরদাশত করে না। তাই ঐক্যবদ্ধভাবে এই সকল হামলাকারী, টাকা পয়সা ও স্বর্ণ লুটপাটকারী, মানবতা বিরোধী সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে সকল সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও প্রগতিমনা মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। নারী শিশু সহ অসংখ্য সাধারণ মানুষ তাদের আক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য হাওরে আশ্রয় নিয়েছে। সবাই তারা গরীব মানুষ। তাদেরকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ, সম্মান এবং মর্যাদা দিতে হবে।