কমলগঞ্জ উপজেলায় সারা দেশের মতো মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক ও কলেজ পর্যায়ে পাঁচ শতাংশেরও বেশি শিক্ষার্থী ঝরে পরেছে।

উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয় ও শিক্ষার্থীদের অভিভাবক সূত্র জানায়, করোনাকালীনে উপজেলার মাধ্যমিক ও কলেজ পর্যায়ে অনেক শিক্ষার্থীরাই ঝরে পড়েছে। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের লোকদের অভাব অনটনের সংসারে সন্তানদের বই, খাতা, বেতন, ফরম পূরণের ফি দিতে না পারা, কিছু কিছু মেয়েদের গোপনে বাল্য বিয়ে হয়ে যাওয়া, সংসারের হাল ধরতে কিশোর শিক্ষার্থীদের কেউ কেউ বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত হয়ে যাওয়ায় এসব শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা থেকে ঝরে পড়ছে।

শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার ঘটনায় পতনউষার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফয়েজ আহমদ, ইউনিয়ন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মানিক পালসহ কয়েকজন শিক্ষক জানান, প্রতি বছরই বেশ কিছু ঝরে পড়ে। তবে শিক্ষার্থীদের স্কুলমুখী করতে যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন। তারপরও করোনাকালে শিক্ষার্থীদের কেউ কেউ বেতন ও ফরম পূরণের ফি দিত না, গোপনে বিয়ে হয়ে যাওয়া, কাজে যোগ দেওয়ায় অনেকেই বাদ হয়েছে। ৬ষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত দশ শতাংশেরও বেশি শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে বলে জানান তাঁরা।

কমলগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শামসুন্নাহার পারভীন বলেন, বিদ্যালয়ে প্রায় পাঁচ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে। যেহেতু স্কুল খুলেছে কয়েক দিন পর পুরোপুরি ধারণা পাওয়া যাবে।