আগামী তিন বছর আহমেদ কবীর বেতন পাবেন অর্ধেক। আর সরকারি চাকরি জীবনের অবশিষ্ট সময়ে কখনো পদোন্নতি পাবেন না তিনি।

নারী সহকর্মীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ অবস্থার ভিডিও ফাঁসের ঘটনায় জামালপুরের সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) আহমেদ কবীরের বেতন অর্ধেক কমানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা ও তদন্ত অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ এফ এম হায়াতুল্লাহ।

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিভাগীয় তদন্তে অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা-২০১৮-এর বিধি ৪(৩)(ক) অনুযায়ী আহমেদ কবীরকে তিন বছরের জন্য নিম্ন বেতন গ্রেডে অবনমন করা হলো।

ফলে আগামী তিন বছর ওই কর্মকর্তা বেতন পাবেন অর্ধেক। আর সরকারি চাকরি জীবনের অবশিষ্ট সময়ে কখনো পদোন্নতি পাবেন না তিনি।

উপসচিব হিসেবে বর্তমানে পঞ্চম গ্রেডে বেতন পান একজন কর্মকর্তা। শাস্তি হওয়ায় আহমেদ কবীরের বেতন ধরা হবে ২০১৫ সালের জাতীয় বেতন স্কেলের ষষ্ঠ গ্রেডের সর্বনিম্ন ধাপে।

মূল বেতন প্রায় ৭০ হাজার টাকা থেকে কমে কবীর পাবেন ৩৫ হাজার টাকা। তবে অন্যান্য ভাতা ও সুবিধা বহাল থাকবে বলে মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে।

২০১৯ সালের আগস্টে জামালপুরের ডিসি থাকা অবস্থায় আহমেদ কবীরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়।

ভিডিওতে এক নারী সহকর্মীর সঙ্গে কবীরকে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখা যায়। ওই ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে।

ওই বছরই প্রাথমিক তদন্ত শেষে আহমেদ কবীরকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করে আদেশ জারি করেছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।