আগামী রবিবার চুনারুঘাট পৌরসভা নির্বাচনের সকল কেন্দ্রে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এ লক্ষে শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে মক ভোট অনুষ্ঠিত হয়। তবে মক ভোটে তেমন সাড়া ফেলতে পারেনি ভোটারদের মধ্যে।

শুক্রবার সকাল ১১টায় পৌরসভার বিভিন্ন কেন্দ্রে ঘুরে দেখা যায়, নির্বাচন কমিশনের এ মক ভোটে ভোটারদের উপস্থিতি একেবারেই নেই।

দুপুর সাড়ে ১২টায় শামছুল উলুম মাদ্রাসা কেন্দ্রে দেখা যায়, মাত্র ২৮টি মক ভোট পড়েছে। সোয়া ১২টায় পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে দেখা যায় মাত্র ভোট পড়েছে ২৯টি। একই ভাবে পৌরসভার সবকটি কেন্দ্রে ভোটার নেই। আবার যারা এসেছেন মক ভোট দিতে তাদের অনেকের আঙ্গুলের ছাপ মিলছে না। বার বার চেষ্টার পর কেউ কেউ মক ভোট দিতে পারছেন।

এ অবস্থায় ইভিএম এ ভোট প্রদানে সময় বেশি লাগছে। অনেকেই মনে করছেন ইভিএমএ আঙ্গুলের ছাপ না মিলার কারণে ভোট গ্রহন দেরী হবে। এতে ভোটার ভোগান্তি বাড়বে।

জানা গেছে কোন কেন্দ্রেই মক ভোট ১০০ এর বেশি হয়নি।

চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও পৌসভার নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা দিপক রায় জানিয়েছেন, ইভিএমে সাময়িক সমস্যা হলে সাথে সাথে সমাধান সম্ভব। ভোটার নাম্বার দিয়ে আঙ্গুলের ছাপ নিলে সময় লাগছে না। তবে হাতের আঙ্গুল ভাল করে ধোয়ে ভোট দিতে গেলে এ সমস্যা কমে যাবে।

তিনি জানান, ইভিএম ব্যবহার যেহেতু একটি কারিগরি বিষয় এবং নতুন ধারণা। তাই এর ব্যবহার, কার্যকারিতা ও সফলতা সম্পর্কে সব প্রতিদ্ব›িদ্ব প্রার্থী তাদের নির্বাচন এজেন্ট, পোলিং এজেন্ট এবং ভোটারদের মধ্যে প্রচারের জন্য আমরা মক ভোট নিচ্ছি। তাব জন্য মাইকিং করা হয়েছে। তারপরও ভোটার কম হলে আমাদের করার কিছু নাই।

তবে ভোটের দিন সকলকে সকালে সকালে ভোট দেওয়ার জন্য তিনি আহবান জানান।