দিনরাত ডেস্ক : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ভারত থেকে আসা কোনো নাগরিক জন্মসূত্রে বাংলাদেশি হলে তাকে গ্রহণ করা হবে।

বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেল পৌনে ৩টায় সিলেট সিটি করপোরেশনের নগর ভবনে ‘নগর এক্সপ্রেস’ বাস সার্ভিসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে একথা বলেন তিনি।

এ সময় ভারতের সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) ইস্যুতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ড. একে আব্দুল মোমেন বলেন, ভারত থেকে কোনো নাগরিক এলে, তিনি জন্মসূত্রে বাংলাদেশি হলে তাকে গ্রহণ করা হবে, নয়তো ফেরত দেওয়া হবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ১৬ হাজার ১৪৪ কোটি টাকায় রেলের কাজ হবে। বর্তমান সিলেট রেলওয়ে স্টেশন আন্তর্জাতিক মানের দৃষ্টিনন্দন করে গড়ে তোলা হবে। এছাড়া সিলেট-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেনে সংযোজন করা হবে এসি কোচ।

সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরের জন্য তিন হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করিয়েছিলেন সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। এছাড়া সিলেট সিটি করপোরেশনের উন্নয়ন কাজে ১ হাজার ২২৮ কোটি টাকার বিশাল বরাদ্দ দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান মন্ত্রী। ড. মোমেন বলেন, সরকারের একার পক্ষে সোনার বাংলা গড়া সম্ভব নয়। এজন্য সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। আর সরকারের সহযোগিতায় এগিয়ে আসায় বাস মালিকদের ধন্যবাদ।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, নগর এক্সপ্রেস আমাদের জন্য একটি বড় অর্জন। এতে সিলেটে আসা পর্যটকরাও চলাচলে সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। তিনি বলেন, নতুন চালু হওয়া নগর এক্সপ্রেস যেন যত্রতত্র না দাঁড়ায়। আমরা যানজট, মাদক ও হকার মুক্ত সিলেট চাই। ছাত্রছাত্রীদের জন্য হাফ ভাড়ার ব্যবস্থা ও প্রতিবন্ধীদের জন্য বাসে বিশেষ সিট রাখা ভালো উদ্যোগ।

নগর সিটি বাস মালিক গ্রুপের আহ্বায়ক ও কাউন্সিলর মখলিছুর রহমান কামরানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, নগর বাস সার্ভিস পরিবহন সেক্টরের সঙ্গে প্রতিযোগিতার জন্য নয়, বরং নগরের মানুষের সুন্দর সেবা দেওয়া ও যানজট নিরসনের জন্য চালু করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাসুক উদ্দিন আহমদ, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাছির উদ্দিন খান, সিলেট সিটি করপোরেশেনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিধায়ক রায় চৌধুরী, সিলেট চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আবু তাহের মো. শোয়েব ও নিটল টাটা বাংলাদেশের প্রোডাক্ট প্রেসিডেন্ট মো. জাফর উল্লাহ।