বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ও টানা ৩ বারের নির্বাচিত হবিগঞ্জ পৌরসভার পদত্যাগকারী মেয়র আলহাজ্ব জি কে গউছের নামে ভূয়া একটি ফেসবুক আইডি খোলা হয়েছে। বিষয়টি নজরে আসার পর তিনি হবিগঞ্জ সদর থানায় ৩ বার জিডি এন্ট্রি করেছেন। কিন্তু কোন আইনী পদক্ষেপ নেয়নি পুলিশ। এতে ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আলহাজ্ব জি কে গউছ।

জিডি সুত্রে জানা যায়, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক, টানা ৩ বারের নির্বাচিত হবিগঞ্জ পৌরসভার পদত্যাগকারী মেয়র এবং দৈনিক আজকের হবিগঞ্জের সম্পাদক ও প্রকাশক আলহাজ্ব জি কে গউছ ফেসবুক ব্যবহার করেন না। তার কোন ফেসবুক আইডি নেই। কিন্তু কে বা কাহারা Alhaj G K Gouse নামে একটি ফেইসবুক আইডি খুলে ব্যবহার করছে। যার ধারক ও বাহক জি কে গউছ নন। এ ব্যাপারে ২০১৭ সালের ৭ ফেব্রুয়ারী ও ২০১৯ সালের ১৬ অক্টোবর হবিগঞ্জ সদর থানায় পৃথক ২টি জিডি করা হয়েছিল।

সম্প্রতি আবারও এই আইডি ব্যবহার করে বিভিন্ন কমেন্স ও ছবি আপলোড করা হচ্ছে। বিষয়টি নজরে আসার পর গত ৫ মার্চ হবিগঞ্জ সদর থানায় আলহাজ্ব জি কে গউছ আরও একটি জিডি করেন (জিডি নং ২৫৫)। কিন্তু পুলিশের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে আইনগত কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

জিডিতে তিনি উলে­খ করেন- আলহাজ্ব জি কে গউছ ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে একাধিক মিথ্যা মামলার আসামী হয়েছেন। চলমান ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ফায়দা নিতে, বা অসৎ উদ্দেশ্যে কোন একটি কুচক্রি মহল তার নামে এই ফেইক ফেসবুক আইডি খুলে ব্যবহার করছে।

এ ব্যাপারে আলহাজ্ব জি কে গউছ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন- এটা একটি সুদূরপ্রসারি পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই আমার নামে ভূয়া ফেসবুক আইডি খোলা হয়েছে। বিষয়টি আমার নজরে আসার পর আমি পরপর ৩ বার হবিগঞ্জ সদর থানায় জিডি এন্ট্রি করেছি। কিন্তু প্রশাসন এ ব্যাপারে কোনো আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। আমি সন্দিহান কোন একটি কুচক্রী মহল এই আইডি ব্যবহার করে আমার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দেয়ার ক্ষেত্র তৈরি করতে পারে। তাই তদন্ত সাপেক্ষে এই আইডির এডমিনকে আইনের আওতায় আনার জন্য আমি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।

এ ব্যাপারে সদর থানার ওসি মাসুক আলী বলেন- ফেইক মানেই ফেইক। দেশে অসংখ্য ফেইক আইডি আছে। আলহাজ্ব জি কে গউছ সাহেব কোন ফেসবুক আইডি ব্যবহার করেন না এবং উনার নামে একটি ফেইক ফেসবুক আইডি খোলা হয়েছে মর্মে একটি জিডি করা হয়েছে। আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি, এ ব্যাপারে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।