মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে পুনর্বাসনের দাবি জানিয়ে সিলেটের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে ১৫০ ‘ভূমিহীন ও গৃহহীন’ পরিবারের সদস্যরা।

রোববার (২৪ জানুয়ারি) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন শেষে জেলা প্রশাসক এম. কাজী এমদাদুল ইসলাম ববাবরে একটি স্মারকলিপি দেন ‘ভূমিহীন ও গৃহহীন’রা। এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের মধ্য দিয়ে সিলেটের ১৫০ ‘ভূমিহীন ও গৃহহীন’ পরিবারের পুনর্বাসনের আবেদন জানানো হয়।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, সিলেটের জালালাবাদ থানাধীন ৬ নং টুকের বাজার ইউনিয়নের গৌরীপুর গ্রামের ১৫০ অধিবাসী পরিবার সুরমা নদীর পাড় ভাঙনের ফলে আজ ভূমিহীন। বর্তমানে তারা ভূমিহীন ও গৃহহীন হয়ে সিলেট সুনামগঞ্জ সড়কের পাশে ছোট ছোট ঝুপড়ি বানিয়ে বসবাস করে আসছে, এতে করে পরিবার পরিজন নিয়ে জীবন ধারণ করা দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে।

এতে আরও উল্লেখ করা করা হয়, ২০১৮ সালের ৭ ডিসেম্বর এ সকল ভূমিহীনদের জন্য গৃহ বরাদ্দ চেয়ে জেলা প্রশাসক এম. কাজী এমদাদুল ইসলাম বরাবর আবেদন করেন তারা এবং ২০১৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ফের আবেদন করা করা হয়। এছাড়া একই বছরের ২৬ জুলাই পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের নিকটও আবেদন করেন তারা। পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সুপারিশসহ আবেদনটি জেলা প্রশাসকের বরাবরে জমা করানো হয়। উক্ত আবেদনের প্রেক্ষিতে রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাকে সমস্যা নিরসনের নির্দেশ দিলেও এখন পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেতা হয়নি।

এদিকে আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে অনেক ভূমিহীন ও গৃহহীনকে গৃহ হস্তান্তর করা হলেও তাদের ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় বিষয়টি সরেজমিনে পরিদর্শনের মাধ্যমে এই ১৫০ ‘ভূমিহীন ও গৃহহীন’ পরিবারকে আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় এনে গৃহ প্রদানের মাধ্যমে পুনর্বাসনের আবেদন জানানো হয়।

প্রসঙ্গত, গতকাল শনিবার বিশ্বের সর্ববৃহৎ আশ্রয়ণ প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে এ প্রকল্পের আওতায় প্রথম পর্যায়ে প্রায় ৭০ হাজার পরিবার পাকা বাড়ি পেয়েছে।