দিনরাত প্রতিবেদক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে : ব্রাহ্মণবাড়িয়া কসবায় ভয়াবহ ট্রেন দূর্ঘটনায় হবিগঞ্জের ৮ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় শিশু-বৃদ্ধ ও নারীসহ আহত হয়েছেন জেলার ১৮ জন।

মঙলবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসন থেকে নাম-পরিচয় জানানোর পর এ তথ্য জানা গেছে। আহতরা সবাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর আধুনীক হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

আহরা হলেন- লাখাই উপজেলার বুল্লা গ্রামের রফিক মিয়ার ছেলে আলমগীর মিয়া (৪০), নবীগঞ্জ উপজেলার মাঠবাজার গ্রামের মোজাম্মেল হকের ছেলে লোকমান মিয়া (২২), লাখাই উপজেলার বুল্লা এলাকার আদম আলীর ছেলে মুখলেছ মিয়া (৪৩), নবীগঞ্জ উপজেলার আতিক মিয়ার মেয়ে আফসারা আক্তার (১৪), একই উপজেলার আনোয়ার হোসেনের মেয়ে আসমা আক্তার (২৪), বানিয়াচং উপজেলার আলফু মিয়ার ছেলে আসিক মিয়া (৩২), নবীগঞ্জ উপজেলার আনোয়ার হোসেনের ছেলে উহুল হোসেন (১), চুনারুঘাট উপজেলার ফরিদ মিয়ার ছেলে রাজন মিয়া (২৮), বানিয়াচং উপজেলার সাধর দাসের ছেলে সুব্রত দাস (৪৫), নবীগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর এলাকার চুনু মিয়ার ছেলে আনোয়ার মিয়া (৩৩), বনিয়াচং উপজেলার খেজুর মিয়ার ছেলে রায়হান মিয়া (২০), চুনারুঘাট উপজেলার শহীদ মিয়ার ছেলের জনি আহমেদ (২৪), বানিয়াচং উপজেলার মুছা মিয়ার মেয়ে মীম আক্তার (৭), একই উপজেলার সুহেল মিয়ার স্ত্রী নাজমা বেগম (৩০), সদর উপজেলার বাগলখাল গ্রামের আছকির মিয়ার ছেলে ধলাই মিয়া (৬৫), মখা কালিশপুর গ্রামের মনজব আলীর ছেলে রাকি হোসেন (২৮), বানিয়াচং উপজেলার দীঘলবাগ গ্রামের মনোয়ার উদ্দিনের ছেলে হাসান আলী (৭০) ও সদর উপজেলার নারায়নপুর এলাকার সুনা উল্লাহর ছেলে আবুল কালাম (৫২)।

সোমবার দিনগত রাত ৩টার দিকে কসবা উপজেলার মন্দবাগ এলাকায় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা অভিমুখী ‘তূর্ণা নিশীথা’র সঙ্গে সিলেট থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে যাত্রা করা ‘উদয়ন এক্সপ্রেস’ ট্রেনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ১৬ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছে অন্তত শতাধিক। এ ঘটনায় ৫টি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।