দিনরাত নিউজ : আইসিসি থেকে সম্প্রতি সব ধরণের ক্রিকেট থেকে এক বছরের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন টাইগার অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। বর্তমানে তেমন কোনো ব্যস্ততা নেই তার। রোববার সকালে হঠাৎ করেই দুর্নীতি দমন কমিশনে দেখা যায় সাকিব আল হাসানকে। সেখানে আধা ঘণ্টার কিছু বেশি সময় অবস্থান করেন তিনি। তবে দুদকের অনুসন্ধান বা এমন কিছুর জন্য নয়, সৌজন্য সাক্ষাৎ করতেই তিনি দুদকে গিয়েছিলেন বলে জানানো হয়েছে।

ক্রিকেট থেকে দূরে থাকা সময়টা নানাভাবে পার করছেন সাকিব। কখন কী করবেন তা বাইরে জানা না গেলেও নিজের মতো করে সময় ব্যয় করছেন তিনি। এই ফাঁকে রোববার হঠাৎ করেই দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) যান দুদকের শুভেচ্ছাদূত সাকিব। সকাল পৌনে ১১টার দিকে দুদকে গিয়ে আধা ঘণ্টার কিছু বেশি সময় ছিলেন তিনি। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য খবরটি নিশ্চিত করেছেন।

প্রণব কুমার জানান, সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এসেছিলেন সাকিব। তিনি বলেন, ‘দুদকের শুভেচ্ছাদূত হিসেবে সময় পেলেই আসেন সাকিব। বিশেষ কোনো বিষয়ে আসেননি। সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এসেছিলেন।’

দুর্নীতি দমন কমিশনে গিয়ে সংস্থাটির চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সাকিব। এছাড়া প্রতিরোধ ও অণু বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও তিনি মতবিনিময় করেন বলে জানা গেছে।

আইসিসি কর্তৃক সাকিব নিষিদ্ধ হওয়ার পর দুদক চেয়ারম্যান বলেছিলেন, ‘সাকিব কোনো দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত হয়নি। দুদক সব সময় তার পাশে আছে।’

জুয়াড়ির প্রস্তাব গোপন করার দায়ে দুই বছরের জন্য সাকিবকে নিষিদ্ধ করেছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি। তবে শর্তসাপেক্ষে তার নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ এক বছর কমানো হয়েছে। আইসিসির নিয়ম মেনে চললে ২০২০ সালের ২৯ অক্টোবর সাকিবের নিষেধাজ্ঞা শেষ হবে। তাকে ছাড়াই রোববার সন্ধ্যায় ভারতের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ খেলতে নামছে বাংলাদেশ।