মুরাদ আহমদ, নবীগঞ্জ : হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় পেঁয়াজ নিয়ে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী রমরমা বাণিজ্য শুরু করেছেন। হঠাৎ পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধি শুরু হলে নবীগঞ্জের কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে পেঁয়াজ নিয়ে সাধারণ ক্রেতাদের সাথে শুরু করেন প্রতারণা।

পেঁয়াজের সিন্ডিকেট ভাঙতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শুরু করেন অভিযান। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে দু’দিন দুই ব্যসায়ীর গুদাম থেকে বিপুল পরিমান পেঁয়াজ জব্দ করে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেন। এতে সামান্য কিছু ক্রেতা কয়েক দিনের জন্য উপকৃত হলেও দীর্ঘ মেয়াদী ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ গরীব অসহায় মানুষজন। অসাধু ব্যবসায়ীদের ফাঁদে পড়ে বর্তমানে দিশেহারা সাধারণ মানুষ।

গত কয়েক দিন ধরে নবীগঞ্জ শহরের প্রায় সবগুলো মুদি দোকান পেঁয়াজ শূন্য থাকলেও ক্রেতা বুঝে ২৫০ টাকা করে গোপনে সর্তকতার সহিত বিক্রি করছেন কিছু অসাধু ব্যবসায়ী।
প্রায় মাস খানেক পূর্বে নবীগঞ্জ বাজারে পেঁয়াজের ৪০/৫০ টাকা কেজি ধরে বিক্রি হচ্ছিল। হঠাৎ পেঁয়াজের মূল্য বাড়তে শুরু করে। বাড়তে বাড়তে এক পর্যায়ে ২৪০/২৫০ পর্যন্ত গিয়ে টেকে।

মূল্য বৃদ্ধিতে সাধারণ ক্রেতারা যখন অতিষ্ট হয়ে ওঠেন তখন নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদ বিন হাসান অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ভাঙ্গতে অভিযান পরিচালনা শুরু করেন। তিনি ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে দু’দিন দুই ব্যসায়ীর গুদাম থেকে বিপুল পরিমান পেঁয়াজ জব্দ করে ঘটনাস্থলেই ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেন।

এছাড়া ইউএনও ৬০ টাকার উপরে পেঁয়াজ বিক্রি করলে শাস্তি প্রদানের ঘোষণা দিলে পেঁয়াজ বিক্রি বন্ধ করে দেন ব্যবসায়ীরা। ইউএনও’র অভিযানে সামান্য কিছু ক্রেতা পেঁয়াজ ক্রয় করে কয়েক দিনের জন্য উপকৃত হলেও বর্তমানে দীর্ঘ মেয়াদী ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ গরীব অসহায় মানুষজন। বাজারে নেই পেঁয়াজ। তবে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ক্রেতা বুঝে ২৪০/২৫০ টাকা ধরে বিক্রি করছেন কিছু অসাধু ব্যবসায়ী।

বৃহস্পতিবার নবীগঞ্জ বাজার ঘুরে দেখা গেছে প্রায় সবগুলো মুদি দোকান ছিলো পেঁয়াজ শূন্য। তবে সর্তকতার সাথে উচ্চ মূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি করেছেন অসাধু ব্যবসায়ীরা। চরম ভুগান্তিতে পড়া মানুষজন জানেন না এ অবস্থার অবসান হবে কবে।

সাধারণ মানুষের দাবি অতি দ্রুত যে এ সমস্যার সমাধানে সংশ্লিষ্ট সকল এগিয়ে আসেন।