দিনরাত প্রতিনিধি, নবীগঞ্জ : হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পণ্ড হলো সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীর বাল্য বিয়ে। তাৎক্ষণিক প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে বরসহ বরযাত্রীরা বিয়েবাড়িতে না এসে রাস্তা থেকেই পালিয়ে যায়।

রোববার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে নবীগঞ্জ উপজেলা আনসার ভিডিপির (ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা আব্দুল আওয়াল ওই স্কুলছাত্রীর বাড়িতে উপস্থিত হয়ে বাল্যবিবাহ বন্ধ করেন।

জানা যায়, রোববার নবীগঞ্জ উপজেলার কালিয়ারভাঙ্গা ইউনিয়নের পুরানগাঁও গ্রামের ছোলেহ আহমদের কন্যা রাজরানি সুভাষিণী উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে (১৩) একই উপজেলার করগাঁও ইউনিয়নের শেরপুর গ্রামের আব্দুর রহিমের পুত্র ইলিয়াস উদ্দিনের সাথে বিয়ে দিচ্ছিল তার পরিবার। খবর পেয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নবীগঞ্জ উপজেলা আনসার ভিডিপির (ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা আব্দুল আওয়াল, স্থানীয় ইউপি সদস্য জয়নাল আবেদীন, আনসার কমান্ডার অহিদ উদ্দিন উপজেলার কালিয়ারভাঙ্গা ইউনিয়নের পুরানগাঁও গ্রামে স্কুলছাত্রীর বাড়িতে উপস্থিত হন।

প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে বরসহ বরযাত্রীরা বিয়ে বাড়িতে উপস্থিত না হয়ে রাস্তা থেকেই দ্রুত পালিয়ে যায়। এ সময় প্রশাসনের উপস্থিতিতে ওই ছাত্রী কান্নাজড়িত কণ্ঠে বিয়েতে তার মতামত ছিল না এবং তাকে জোরপূর্বক বিয়ের আসরে বসানো হয়েছে বলে জানায়। পরে তার বাবা ছোলেহ আহমদ ১৮ বছর না হলে মেয়ে সোনিয়ার বিয়ে দেবেন না বলে মুচলেকা দেন।

এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ উপজেলা আনসার ভিডিপির (ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা আব্দুল আওয়াল বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিয়েবাড়িতে উপস্থিত হয়ে কনের বিয়ের উপযুক্ত বয়স না হওয়ায় বিয়ে বন্ধ করি।