রাজধানী তুরাগে গভীর রাতে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি সম্বলিত ফেস্টুন ব্যানার আগুন দিয়ে পুরিয়ে ফেলা ও ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।

কে বা কারা ছিঁড়েছে তা এখন ও জানা যায় নি। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে এসে যারা এগুলো করছে তারা আর যাই হোক আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত থাকতে পারে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলছেন, এতো বছর ফেস্টুন ব্যানার ঝুলিয়ে আছে ছেঁড়া তো দূরের কথা হাত দিয়েও কেউ কোন দিন ধরেনি আজ হঠাৎ কেন এমন হলো এটা নিয়ে এখন আলোচনা চলছে। বা কেন দেখে দেখে কৃষকলীগের সভাপতি ও ছাত্রলীগের ফেস্টুন ব্যানারে এমন হলো। এটি অপরাজনীতির একটি নোংরামি ছাড়া কিছুই না।

কয়েকজন নেতাকর্মীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, এই এলাকা জুড়ে অনেক নেতাকর্মীদের ফেস্টুন ব্যানার রয়েছে। সেখান থেকে দেখে দেখে তুরাগ থানা কৃষকলীগের সভাপতি সাজেদুল ইসলামে ফেস্টুন ব্যানার আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে বলে যানা যায়। এতে প্রতিয়মান যে এটি যারা করেছে হিংসের রাজনীতির কারণে করা হয়েছে বলে জানান।

গভীর রাতে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি সম্বলিত ফেস্টুন ব্যানার আগুন দিয়ে পুরিয়ে ফেলা ও ছিঁড়ে ফেলা প্রসঙ্গে তুরাগ থানা কৃষকলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাজেদুল ইসলাম বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে এসে যারা এগুলো করছে তাদের উদ্দেশ্য যে অন্যকিছু সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। শুধু আমার ছবি সম্বলিত ফেস্টুন ব্যানার নষ্ট করলে দুঃখ ছিললো না কিন্তু যার জন্য এ দেশ স্বাধীন হয়েছে, যার জন্ম না হলে বাংলাদেশের জন্ম হতো না সেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি পুরিয়ে ফেলেছে। এত থেকে বড় দুঃখজনক হতে পারে না।

তিনি বলেন, রাতের অন্ধকারে যারা রাস্তায় ঘোড়াফেরা করে তারা সরকারি দলের পরিচয় দিয়েই ঘোড়াফেরা করে। এই ঘোড়াফেরার ফাঁকে তারা এভাবে নিজেরদের ফেস্টুন রেখে অন্যদের গুলো ছিরে ও পুরিয়ে ফেলে। তারা আওয়ামী পরিবারের না, হতেই পারেনা।
এসময় কৃষকলীগ নেতা আরো বলেন, যেই ফেস্টুনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ও জননেত্রী শেখ হাসিনার ছবি সম্বলিত রয়েছে সেই ফেস্টুন যারা পুরাতে পারে তারা কি করে আওয়ামী পরিবারের হয়? আমাদের কিছু নেতা নিজ সার্থের জন্য, নিজের দল ভারি করার জন্য বিএনপি পরিবারের লোকজন দিয়ে মিছিল মিটিং করায় এরাই রাতে এগুলো করে।