কক্সবাজারের টেকনাফ উপকূলে ৩৬ কেজি ৭০০ গ্রাম ওজনের বিশাল আকৃতির একটি রূপালি পোয়া মাছ ধরা পড়েছে। সোমবার (৮ মার্চ) সকালে বঙ্গোপসাগরের ১৭ বাইন এলাকায় মাছটি ধরা পড়ে। মাছটি নুরুল ইসলাম নামে এক ব্যবসায়ীর কাছে ২ লাখ ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।

ট্রলারের মাঝি মোহাম্মদ শফিক বলেন, শনিবার সকালে তার মালিকানাধীন ট্রলারটি নিয়ে ১০ জন মাঝি-মাল্লা বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যান। এ সময় মাছ ধরার জন্য লাক্ষা জাল সাগরে ফেলা হয়। সাগরে জালটি বার বার টান দিচ্ছিল। তখন মনে হয়েছে বড় কিছু জালে আটকা পড়েছে। জাল টেনে কাছে আনতেই বড় মাছ দেখা যায়। পরে মাছটি ধরে নৌকা নিয়ে তীরে ফেরত আসি।

এরপর ওজন করে দেখি মাছটি ৩৬ কেজি ৭০০ গ্ৰাম। মাছটি দুই লাখ ৮০ হাজার টাকায় সাবরাং ইউনিয়নের রুহুল্লার ডেবা এলাকার আজিজ উল্লাহর ছেলে নুরুল ইসলাম কিনে নেন।

মাছের ক্রেতা নুরুল ইসলাম বলেন, আমি ঝুঁকি নিয়ে মাছটি কিনেছি। মাছটি এখনও বিক্রি করিনি। মাছটি ফিশারিজে রেখেছি। মাছটি কেটে বিক্রি করলে প্রতি কেজির দাম ৭০০ টাকার বেশি পাওয়া যাবে না। তবে এর বায়ুথলির দাম অনেক চড়া। এ মাছের বায়ুথলির দাম অনেক বেশি হওয়ায় চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রির জন্য যোগাযোগ করা হচ্ছে।

টেকনাফ উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন বলেন, এত বড় পোয়া মাছ সহজে ধরা পড়ে না। পোয়া মাছের বায়ুথলি বা এয়ার ব্লাডারের কারণে মাছটির দাম অনেক। এয়ার ব্লাডার দিয়ে বিশেষ ধরনের সার্জিক্যাল সুতা তৈরি হওয়ায় মাছটির বেশ কদর রয়েছে।