২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামি ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং তথ্য গোপনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়েছে। পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ২৮ মার্চ তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭ এর বিচারক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলামের আদালতে এ মামলার পুনরায় সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে কোনও সাক্ষী হাজির করেনি। পরে আদালত সাক্ষ্যগ্রহণের নতুন তারিখ ধার্য করেন। এদিন কারাগারে থাকা বিএনপির সাবেক এ নেতাকে আদালতে হাজির করা হয়।

এর আগে, গত ২১ জানুয়ারি মামলাটি যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য ধার্য ছিল। কিন্তু রাষ্টপক্ষের আইনজীবী মোশারফ হোসেন কাজল মামলাটির পুনরায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আদালতে আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তা মঞ্জুর করে পুনরায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।

মামলায় অভিযোগ থেকে জানা যায়, বাবরের বিরুদ্ধে সাত কোটি পাঁচ লাখ ৯১ হাজার ৮৯৬ টাকার অবৈধ সম্পদ রাখার অভিযোগ করা হয়। কিন্তু তিনি দুদকে ৬ কোটি ৭৭ লাখ ৩১ হাজার ৩১২ টাকার সম্পদের হিসাব দাখিল করেছিলেন। তার অবৈধ সম্পদের মধ্যে প্রাইম ব্যাংক এবং এইচএসবিসি ব্যাংক দুটিতে এফডিআরে ৬ কোটি ৭৯ লাখ ৪৯ হাজার ২১৮ টাকা এবং বাড়ি নির্মাণ বাবদ ২৬ লাখ ৪২ হাজার ৬৭৮ টাকা গোপন করার অভিযোগ করা হয়। ওই ঘটনায় ২০০৮ সালের ১৩ জানুয়ারি আসামির বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপন করার অভিযোগে রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করে দুদক। পরে তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক রূপক কুমার সাহা তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।