শেরপুরে যাত্রীবাহী বাস ও পাথরবোঝাই ট্রাকের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষে উভয়গাড়ীর চালক হেলপারসহ ৬ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১৫ জন।

হাইওয়ে পুলিশ ইন্সপেক্টর বানিউল আনাম জানান, নিহত বাস চালক ও হেলপারের নাম পাওয়া গেছে। এর হলো বাস চালক শেরপুর উপজেলার গোসাইপাড়ার শ্রী বাঘা ও হেলপার শেরপুরের ধনকুন্ডির মো. ইদ্রিস আলী। অণ্যদের পরিচয় জানা যায় নি।

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অনন্ত আরও ১৫ জন যাত্রী। তাদেরকে বগুড়ায় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সকাল ৬টার দিকে উপজেলার ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের পৌরশহরের কলেজরোড নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে। তবে হতাহতদের তাৎক্ষণিক পরিচয় মেলেনি।

এদিকে, দুর্ঘটনা কবলিত বাস-ট্রাক মহাসড়কের মধ্যে উল্টে পড়ে থাকার কারণে যানচলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে মহাসড়কের উভয়পাশে অসংখ্য যানবাহন আটকে ৩ কিলোমিটারজুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। তবে দেড় ঘন্টা প্রচেষ্টর পর পুলিশ রেকার দিয়ে দুর্ঘটনা কবলিত বাস ও ট্রাক সরিয়ে ফেলার পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

শেরপুর ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার রতন হোসেন জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বগুড়া দিকে আসা এসআর ট্রাভেলস পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস (ঢাকা মেট্রো ব-১৪-৬০৯৯) উক্ত স্থানে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা পাথরবোঝাই ট্রাকের (ঢাকা মেট্রো ট-১৩-০০৫৩) মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই বাসের চালক-হেলপার ও ট্রাকের চালকসহ মোট ৬জন নিহত হন। সেইসঙ্গে আহত হন আরও ১৫জন যাত্রী। তাদেরকে প্রথমে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লে¬ক্সে নেয়া হয়। কিন্তু অবস্থার অবনতি ঘটলে তাৎক্ষণিক বগুড়ায় শজিমেক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তবে হতাহতদের তাৎক্ষণিক নাম-পরিচয় জানা যায়নি বলে জানান এই স্টেশন কর্মকর্তা।