বাহুবল উপজেলার পুটিজুরীতে প্রেমের টানে হিন্দুধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে মুসলিম ছেলের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন নীলা চক্রবর্তী।

সূত্রে জানা যায়, উপজেলার স্নানঘাট ইউনিয়নের গাংধার গ্রামের গৌরী শংকর চক্রবর্তীর কন্যা নীলা চক্রবর্তীর (১৮) দীর্ঘ দিন ধরে পুটিজুরী ইউনিয়নের যাদবপুর গ্রামের ফটিক মিয়ার ছেলে জোবায়েদ মিয়ার (২২) সাথে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। ক্লাস সিক্স থেকে দোজন পুটিজুরী শরৎচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়া লেখা করেছে এক সাথে। ওই সুবাদেই দোজনের মনে প্রেমের সঞ্চার হয়েছিল বলে ধারনা করা যাচ্ছে। তবে তাদের প্রেমর সম্পর্ক দীর্ঘদিন যাবৎ চলে আসছিল বলে একটি সুত্রে জানা গেছে।

ভালবাসার জের ধরে নীলা চক্রবর্তী গত ১৮ ফেব্রুয়ারী ঘর ছেড়ে হবিগঞ্জ জজ কোর্টে অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমানের কার্যালয়ে হাজির হয়ে নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে এভিডেভিট করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।

এভিডেভিট নামায় নীলা চক্রবর্তী ইসলাম ধর্মের নামনুসারে এখন সালমা আক্তার নাম ধারন করেন। পরে তারা উভয়ের সম্মতিতে গত ১৮/ ফেব্রুয়ারি নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে এভিডেভিট সম্পন্ন করে হবিগঞ্জ পৌরসভার কাজী মাওলানা মো. জসিম উদ্দিন চৌধুরীর মাধ্যমে ৩ লক্ষ টাকা দেন মোহর সাব্যস্থ করিয়া ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। যার কপি বুধবার রেজিষ্ট্রি ডাক যোগে ছেলের পিতার নিকট পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার পর থেকে পালিয়ে যাওয়া ছেলে মেয়ে এখনো নিরুদ্দেশ রয়েছেন।

এদিকে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছেলে-মেয়ের উভয় পরিবার তাদের সন্ধানে গরুখোজা অভ্যাহত রেখেছেন।

এ বিষয়ে ছেলের পিতা ফটিক মিয়া বলেন, বুধবার দুপুরে আমার ছেলে জোবায়েদ মিয়া রেজিষ্ট্রি ডাকযোগে তার বিবাহের যাবতীয় ডকুমেন্ট আমার কাছে পৌচালেও আামি দুশ্চিন্তামুক্ত হতে পারছিনা। কারণ সে কোথায় আছে, কেমন আছে তা আমি কিছুই জানি না।