টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১৯ জনের দল থেকে বিশ্বকাপের ১৫ জনের স্কোয়াডে জায়গা হয়নি রুবেল হোসেন, তাইজুল ইসলাম, মোসাদ্দেক সৈকত ও আমিনুল ইসলামের। তবে রুবেল ও আমিনুলকে রাখা হয়েছে স্ট্যান্ড বাই হিসেবে।

অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলা স্কোয়াড থেকেই দল বেছে নিয়েছে বিসিবির নির্বাচক প্যানেল। জিম্বাবুয়ে সিরিজে চোট পাওয়ায় তামিম ইকবাল এই দুই সিরিজ খেলেননি। তাই বিশ্বকাপ দলে তার ফেরাটা প্রত্যাশিত ছিল।

তবে গত সপ্তাহে নিজেই বিশ্বকাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেন তামিম। যে কারণে দলে নাঈম শেখ, সৌম্য সরকার ও লিটন দাসকে ওপেনার হিসেবে নিতে হয়েছে বলে জানান প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন।

তিনি বলেন, ‘তামিমের বিষয়ে আমরা কনফিডেন্ট ছিলাম। আমি তার সঙ্গে কথা বলেছি। হুট করেই নিজেকে সরিয়ে নিয়েছে সে। আমরা নাইম, সৌম্য, লিটনকে নিয়েই যাচ্ছি এখন।’

দলে আর কোনো চমক নেই। নাজমুল হোসেন শান্তর নাম শোনা গেলেও তাকে শেষ পর্যন্ত জায়গা দেননি নির্বাচকরা।

নিউজিল্যান্ড সিরিজের দল থেকে বাদ পড়াদের মধ্যে অভিজ্ঞ পেইসার রুবেল হোসেন ও লেগস্পিনার আমিনুল ইসলামকে রাখা হয়েছে স্ট্যান্ড বাই হিসেবে।

এটাই বাংলাদেশের সম্ভাব্য সেরা দল বলে মনে করছে বিসিবি। নির্বাচক প্যানেল ও ম্যানেজমেন্টের এই স্কোয়াডের ওপর ভরসা আছে।

মিনহাজুল বলেন, ‘জিম্বাবুয়ে সিরিজ থেকে ধারাবাহিকভাবে এই দল নিয়ে তিনটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতেছি – জিম্বাবুয়ে, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীতে আমরা হোমে প্রায় সব সাদা বলের সিরিজে আমরা জিতেছি। আমরা আত্মবিশ্বাসী যে এ ধারাবাহিকতা রেখে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও দল ভাল করবে।’

১৭ অক্টোবর থেকে শুরু হবে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নেয়ার লড়াই। ওমানের মাঠে টাইগারদের দিতে হবে সেই পরীক্ষা।

সেখানকার কন্ডিশনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে এক সপ্তাহ সেখানে ক্যাম্প করার কথা রয়েছে সাকিব-মুশফিকদের।

বাংলাদেশের বিশ্বকাপ স্কোয়াড: মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ (অধিনায়ক), সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, সৌম্য সরকার, লিটন দাস, আফিফ হোসেন, নাইম শেখ, নুরুল হাসান সোহান, শামীম পাটোয়ারী, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, শরিফুল ইসলাম, শেখ মাহেদী হাসান ও নাসুম আহমেদ।

স্ট্যান্ড বাই: রুবেল হোসেন ও আমিনুল ইসলাম।