ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার নন্দনপুরে পুলিশ, বিজিবি ও মোদি বিরোধীদের সংঘর্ষে পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন।

শনিবার (২৭ মার্চ) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার নন্দনপুর এলাকায় এই সংঘর্ষ হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকালে হরতালের পক্ষে বুধল এলাকা থেকে মোদিবিরোধীদের একটি মিছিল শুরু হয়। এসময় এলাকাবাসীও মিছিলটির সাথে মিশে যায়। সেখানে পুলিশ ও বিজিবির সদস্যদের সংখ্যা কম থাকায় মিছিলটি পুলিশ ও বিজিবি সদস্যদের ঘিরে ফেলে। এসময় বিজিবি, পুলিশ ও মোদিবিরোধীদের ত্রিমুখী সংঘর্ষ শুরু হয়। এসময় বিজিবি ও পুলিশ গুলি নিক্ষেপ শুরু করেন। তিনজন গুলিবিদ্ধ হলে স্থানীয় লোকজন তাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক আব্দুল্লাহ আল মামুন তাদেরকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতরা হলেন- নন্দনপুর হারিয়া গ্রামের আবদুল লতিফ মিয়ার ছেলে ওয়ার্কশপের দোকানি জুরু আলম (৩৫), সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার দাবিড় মিয়ার ছেলে শ্রমিক বাদল মিয়া (২৪), ব্রাহ্মণবাড়িয়া বারিউড়া এলাকার মৈন্দ গ্রামের জুরু আলীর ছেলে সুজন মিয়া (২২), আলী আহমেদের ছেলে শ্রমিক কাউসার মিয়া (২৫) ও বউধল এলাকার জুবায়ের (১৪)।

এছাড়া গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আলী আহমেদের ছেলে শ্রমিক কাউসার মিয়া, সাইদ মিয়ার ছেলে নুরুল আমিন (৩৫), আবদুল সাত্তারের ছেলে বাছির মিয়া (২৮), আবদুল হোসেনের ছেলে ছাদেক মিয়া (৩৫) সহ আরও ১৫ জনকে হাসপাতালে আনা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই তিনজন তারা মারা যান। তারা তিনজনই গুলিবিদ্ধ ছিল। এছাড়াও আরও তিনজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। প্রায় ১৫ জন আহত হয়েছেন।