প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের যখন একটু ভালো সময় আসে, যখন মানুষ একটু ভালো থাকার স্বপ্ন দেখতে শুরু করে, যখন মানুষের জীবনমান একটু উন্নত হয়, তখনই কিন্তু একটা আঘাত আসার সম্ভাবনা থাকে। বাংলাদেশে ভালো সময় এলেই নানামুখী ষড়যন্ত্র মাথাচাড়া দেয়।’

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে মঙ্গলবার একনেক বৈঠকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ‘ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সকলকে একটু সতর্ক থাকা দরকার। আজ করোনাভাইরাস শুধু আমাদের ওপর একা না, সারা বিশ্বেই এটি যেভাবে প্রভাব ফেলেছে, এই মহামারি আকার দেখা দিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের বাংলাদেশে সীমিত সম্পদ দিয়ে, আমাদের ভৌগোলিক সীমারেখায় ছোট দেশ। কিন্তু জনসংখ্যার দিক দিয়ে বড় দেশ। কিন্তু সেই দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’

‘জাতির পিতাকে হত্যার পর একের পর এক মার্শাল ল’, মিলিটারি রুলার, অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী, হত্যা, ক্যু, ষড়যন্ত্রের রাজনীতি। আমাদের রাজনৈতিক নেতাদের ওপর অকথ্য অত্যাচার, নির্যাতন, অগ্নিসন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ; তার সাথে আবার প্রাকৃতিক দুর্যোগ। সবকিছু্রই কিন্তু মোকাবেলা করতে হচ্ছে। মোকাবেলা করেই আমরা অর্থনৈতিক অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাচ্ছি।’

দেশে করোনার আর কোনো প্রভাব থাকবে না বলে আশা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘করোনাভাইরাস মোকাবেলায়ও আমরা সাফল্য অর্জন করেছি এবং করে যাচ্ছি। ইনশাল্লাহ এটার প্রভাব আমাদের দেশে আর থাকবে না। আমাদের দেশের মানুষও যথেষ্ট সচেতন।’

এ সময় করোনার বিস্তার রোধে সরকারের নেয়া নানা পদক্ষেপ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই করোনা মোকাবেলাতেও আমরা আমাদের যথাসাধ্য চেষ্টা করে করোনাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের দেশের মানুষের সুরক্ষার জন্যও আমরা বিভিন্ন ধরনের নির্দেশনা দিয়েছি, প্রণোদনা দিয়েছি।’