দিনরাত প্রতিবেদক, হবিগঞ্জ : মাধবপুরে ‘উপজেলার আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়’র প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের বৃত্তির টাকা কম দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রতিটি শিক্ষার্থীকে ৭৫ থেকে ১০৫ টাকা পর্যন্ত কম দিয়ে নিজের পকেটে ডুকিয়েছেন তিনি। বিষয়টি স্বীকারও করেছেন প্রধান শিক্ষক শাহীন মিয়া। তবে খরচ বাবদ এই টাকা রাখা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

অভিযোগে জানা যায়, সম্প্রতি সারাদেশের সাথে মাধবপুর ‘উপজেলার আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়’র প্রায় ৫০ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করা হয়। নিয়ম অনুযায়ি টেলেন্টপুলে বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের জনপ্রতি ২ হাজার ১শ’ টাকা দেয়ার কথা। কিন্তু স্কুল কর্তৃপক্ষ সেখান থেকে প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ১০৫ টাকা করে রেখে দেয়। এছাড়া সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের ১৩শ’ ৫০ টাকা দেয়ার কথা কিন্তু সেখান থেকেও জনপ্রতি ৭৫ টাকা রেখে দেয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্কুলের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষার্থী ও অভিভাবক জানান- অন্যান্য স্কুলে বৃত্তির সম্পূর্ণ টাকা দেয়া হলেও মাধবপুর ‘উপজেলা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়’ কর্তৃপক্ষ প্রতি বছরই এমন অনিয়ম করে থাকে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি আদায়, কোচিংয়ের নামে ফি আদায়সহ বিভিন্ন দূর্নীতি অনিয়ম করে থাকে।

এ ব্যাপারে মাধবপুরে ‘উপজেলার আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়’র প্রধান শিক্ষক মো. শাহীন মিয়া বলেন- ‘বৃত্তির টাকা স্কুল কর্তৃপক্ষকে নিজ দায়িত্বে ও নিজ খরচে গিয়ে আনতে হয়। তাই স্কুল থেকে একজন শিক্ষক পাঠিয়ে টাকাগুলো আনা হয়েছে। তার গাড়িভাড়াসহ খরচ বাবদ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে এ টাকা কেটে রাখা হয়েছে।’