হবিগঞ্জের মাধবপুরে তিনরাতে ৭টি মন্দিরে চুরির ঘটনায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ ঘটনায় আতঙ্কিত হিন্দু অধ্যুষিত গ্রামগুলোতে পুলিশি প্রহরা জোরদার ও দূর্বৃত্বদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন তারা।

তাদের দাবি, এটি কোন চুরির ঘটনা না। কোন একটি মহলের ইন্ধনে এই চুরির ঘটনাগুলো ঘটছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ১৯ মার্চ রাতে উপজেলার রাজ রাজ্যেশ্বর মন্দির, দূর্গামন্দির, শশ্মান কালিমন্দির ও কালি মন্দিরে চুরি সংঘটিত হয়। এ সময় চুরের দুর্গা মন্দির থেকে ঘন্টা, রাজ রাজ্যেশ্বর মন্দির থেকে পিতলের মূর্তি ও কষ্টি পাথরের মূর্তি নিয়ে যায়। এর একদিন পর ২১ মার্চ রাতে মাধবপুর পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের গুমুটিয়া গ্রামের গোপাল জিউর আখড়া ও পারিবারিক জগদ্বাত্রী মন্দিরে চুরি হয়। সেখান থেকেও চুরেরা মূল্যবান মালামাল চুরি করে নিয়ে যায়।

এদিকে, সোমবার দিবাগত রাতে উপজেলার মনতলা মন্দিরে আবারও চুরির ঘটনা ঘটে।

মাধবপুর উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ, খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাজিব দেবরায় রাজু বলেন, ‘প্রথমে এটিকে নর্মাল চুরির ঘটনা মনে হলেও এখন বিষয়টি রহস্যজনক মনে হচ্ছে। কারণ পরপর তিনরাতে ৭টি মন্দিরে চুরি হয়েছে। যদি এটি চুরির কোন ঘটনা হয় তাহলে শুধু মন্দিরে কেন? আমরা এর সুষ্ট তদন্ত সাফেক্ষ্য দুষিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।’

এ ব্যাপারে মাধবপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মহসীন আল মুরাদ বলেন, ‘মন্দিরের মূর্তি ও মালামাল উদ্ধার এবং আসামিদের ধরতে পুলিশ কার্যক্রম শুরু অব্যাহত রয়েছে। আমা করি দ্রুত চোরদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করতে পারব।’