হবিগঞ্জের মাধবপুর লিপি আক্তার নামের এক স্ত্রীকে তার স্বামী ধারালো অস্ত্র দিয়ে ঘাড়ে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করেছে। এ ঘটনার পর লিপা আক্তারের স্বামী হারুন মিয়া ধর্মঘর ইউপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন।

শনিবার (১২ জুন) দুপুরে উপজেলার সীমান্তবর্তী মেহেরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

গুরুতর আহত অবস্থায় স্ত্রী লিপা আক্তারকে (২৩) প্রতিবেশীরা উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে ভর্তী করান।

খরব পেয়ে পুলিশ ইউপি চেয়ারম্যান কার্যালয়ে থেকে হারুন মিয়াকে আটক।

মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক জানান, প্রায় ৬ বছর আগে বিজয়নগর উপজেলার বড়চাল গ্রামের ফিরোজ মিয়ার মেয়ে গার্মেন্টস কর্মী লিপা আক্তার ও মেহেরপুর গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে রাজমিস্ত্রি সহকারী হারুন মিয়া চট্টগ্রামে কর্মরত অবস্থায় পরিচিত হয়ে প্রেম করে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। এরই মধ্যে তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তান জন্ম নেয়। স্বামীর অভিযোগ লিপা পরকীয়া প্রেমে আসক্ত। লিপা আক্তার প্রায়ই বাড়ী থেকে স্বামীকে না জানিয়ে চলে যায়।

ঘটনার দিনও নিপা বাড়ী থেকে বের হয়ে যেতে চায়। এ নিয়ে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে হারুন তার স্ত্রী লিপাকে হত্যার উদ্দেশ্য ধারালো দা দিয়ে ঘাড়ে কুপিয়ে আহত করেন। এসময় লিপা মাটিতে লুটিয়ে পরলে মৃত ভেবে স্বামী হারুন চেয়ারম্যান সামসুল ইসলাম কামালের কাছে আত্মসর্মপন করেন।

ঘটনার সাথে সাথেই ঘটনা স্থলে পুলিশ গিয়ে হারুন মিয়াকে আটক করেছে। পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।