হবিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন ব্যবসায়ি নেতা শামছুল হুদা। বাংলাদেশ ইসলামি আন্দোলনের প্রতীক হাতপাখা নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও নিজেকে নাগরিক সমাজের প্রার্থী হিসেবে প্রচারণা করছেন তিনি। যে কারণে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে আসলে তিনি কার প্রার্থী? নাগরিক সমাজের, নাকি ইসলামি আন্দোলনের প্রার্থী।

বিষয়টি সম্পর্কে জানতে দিনরাতনিউজ’র পক্ষ থেকে দুইদিন শামছুল হুদার সাথে যোগাযোগ করলেও তিনি ব্যস্ত আছেন বলে সময় দেননি। যদিও বৃহস্পতিবার হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবে নিজের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করার সময় এর উত্তর পাওয়া গেছে তার কাছ থেকে।

এ সময় শামছুল হুদা বলেন, ‘আমি মূলত নাগরিক সমাজের প্রার্থী। বাংলাদেশ ইসলামি আন্দোলনের কাছ থেকে শুধু প্রতিকটি নিয়েছি।’

তবে, হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণার সময় ইসলামি আন্দোলনের জেলা সভাপতি মহিদ উদ্দিন সোহেলসহ একাধিক নেতৃবৃন্দ তার সাথে উপস্থিত ছিলেন। অথচ নাগরিক সমাজের কোন ব্যক্তিবর্গ কিংবা ব্যবসায়ি শীর্ষ নেতৃবৃন্দ তার ইশতেহার ঘোষণাকালে উপস্থিত ছিলেন না।

এ ব্যাপারে নির্বাচনে তার মনোনয়নের বিষয়টি সম্পর্কে জানতে দিনরাতনিউজ যোগাযোগ করে নির্বাচন অফিসে। এ সময় জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সাদেকুল ইসলাম বলেন, ‘মেয়র প্রার্থী শামছুল হুদা বাংলাদেশ ইসলামি আন্দোলনের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছে। যে কারণে তিনি ওই দলের মার্কাও পেয়েছেন।’

একাধিক ভোটার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, শামছুল হুদা একটি দলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। কিন্তু ইচ্ছাকৃতভাবে তিনি প্রচারণার ক্ষেত্রে নিজের দলের বিষয়টি আড়াল রেখে নাগরিক সমাজের প্রার্থী হিসেবে প্রচারণা করছেন।

এ বিষয়টিকে অনেকে প্রতারণার সাথেও তুলনা করেছেন।

আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি হবিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে ইভিএমের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।এখানে মেয়র পদে লড়ছেন ৬ প্রার্থী।