মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় অসুস্থ এক গৃহবধূকে (১৯) ধর্ষণের অভিযোগ ওঠেছে স্থানীয় কবিরাজের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় গৃহবধূর স্বামী বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ অভিযুক্ত কবিরাজ মবশ্বির আলীকে (৪৩) আটক করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

মবশ্বিরের বাড়ি উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ মাদানগর গ্রামে। ঈদুল ফিতরের দিন শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, পৃথিমপাশার একটি গ্রামের ওই গৃহবধূ শারীরিক বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছেন। শুক্রবার ওই গৃহবধূর স্বামী কবিরাজ মবশ্বির আলীকে চিকিৎসার জন্য ডেকে বাড়িতে নিয়ে যান। একপর্যায়ে ছলছাতুরীর মাধ্যমে ওই কবিরাজ গৃহবধূর স্বামী, শাশুড়িসহ সবাইকে ঘরের বাইরে বের করে দিয়ে ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে ফেলেন। এর কিছুক্ষণ পর গৃহবধূর চিৎকার শুনে স্বজনেরা দরজায় ধাক্কাধাক্কি করলেও মবশ্বির খুলেননি। পরে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে গৃহবধূ বলেন তাকে ধর্ষণ করেছেন মবশ্বীর।

বিষয়টি পুলিশকে তাৎক্ষণিক জানালে ঘটনাস্থলে থেকে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ওই গৃহবধূকে রাতেই কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসক তাকে মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে ওই গৃহবধূ চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

শনিবার বিকেলে গৃহবধূর স্বামী থানায় মবশ্বির আলীকে অভিযুক্ত করে থানায় মামলা করলে পুলিশ তাকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

কুলাউড়া থানার অফিসার্স ইনচার্জ বিনয় ভূষণ রায় বলেন, মৌলভীবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির করা হলে সেখানে মবশ্বির ধর্ষণের কথা স্বীকার করেন। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।