লাখাই থেকে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেও ঘর বাধা হলো না প্রেমিক জুটির। প্রেমিকার পিতার মামলায় প্রেমিকের জামিন হলেও প্রেমিকার ঠিকানা হলো পুলিশ হেফাজতে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে হবিগঞ্জ জজকোর্টে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, উপজেলার পুর্বের হাটি গ্রামের কামরুল ইসলামের পুত্র তানভীর হোসেন (২২) এর সাথে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছে সিংহগ্রামের হাজি জানে আলমের কন্যা চাঁদনী আক্তার সুমাইয়ার (১৮)। চাঁদনী কলেজ ছাত্রী হওয়ায় প্রায়ই তানভীরের সাথে দেখা করতো। বিষয়টি পরিবারের লোকজন আঁচ করতে পেরে বাড়ি থেকে বের হতে বারণ করে। তাছাড়া তানভীর ঢাকার একটি বেল্ট ফ্যাক্টরীর কর্মচারী। এ কারণে চাঁদনীর পরিবার তাদের সম্পর্ক মেনে নেয়নি। ৬ মাস আগে প্রেমিক যুগল অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমায়। গত ১০ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জ আদালতে ২ লাখ টাকা কাবিনে এফিডেভিট করে দুজন বিয়ে করে।

অন্যদিকে চাঁদনীর পিতা বাদি হয়ে লাখাই থানায় তানভীর, তার পিতাসহ অন্যান্যদের আসামি করে একটি অপহরণ মামলা করেন। পুলিশের চাপে পড়ে তানভীর হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বতীকালীন জামিন লাভ করে। হাইকোর্টের নির্দেশে গতকাল বৃহস্পতিবার হবিগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মো. জিয়া উদ্দিন মাহমুদের আদালতে তানভীর হাজির হয়ে জামিন লাভ করে। এ সময় আদালতের বারান্দা থেকে চাঁদনীর স্বজনরা তাকে নেয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু চাঁদনী যেতে না চাইলে পুলিশ তাকে নিয়ে যায়। বর্তমানে সে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।

এ বিষয়ে লাখাই থানার ওসি মো. সাইদুর রহমান জানান, আদালতের নির্দেশে বয়স নির্ধারণ ও ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য চাঁদনীকে পুলিশের নিরাপত্তা হেফাজতে আনা হয়েছে। ডাক্তারী পরীক্ষা শেষে আদালতে প্রেরণ করা হবে। পরে আদালতের নির্দেশ মতে ব্যবস্থা নেয়া হবে।