সেমিস্টার বা ক্রেডিট ফি ছাড়াই চূড়ান্ত পরীক্ষায় বসতে পারবেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা। তবে পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের সুবিধামতো এ ফি পরিশোধ করতে হবে। এছাড়া করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে চলতি শিক্ষাবর্ষের টিউশন ফি ও পরিবহন ফি সম্পূর্ণ মওকুফ করা হয়েছে।

বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের সাথে শাবিপ্রবি প্রেসক্লাবের নবগঠিত কমিটির সৌজন্য সাক্ষাতে এ তথ্য জানান উপাচার্য।

উপাচার্য বলেন, বিশ্বে চলমান করোনা সংকটের কথা বিবেচনা করে চলতি শিক্ষাবর্ষে জানুয়ারি-জুন এবং জুলাই-ডিসেম্বর সেমিস্টারের টিউশন ও পরিবহন ফি সম্পূর্ণ মওকুফ করা হয়েছে। এছাড়া কোন শিক্ষার্থী পরীক্ষার আগে সেমিস্টার বা ক্রেডিট ফি দিতে অপারগ হলে তা পরবর্তীতে পরিশোধ করতে পারবে। এজন্য শিক্ষার্থীদের কোন জরিমানা গুনতে হবে না।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ নিতে সংশ্লিষ্ট কোন আবাসিক হলের ছাড়পত্রের প্রয়োজন হবে না। আমরা চাই শিক্ষার্থীরা সময়মতো পাস করে বের হয়ে কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করুক।

আবাসিক হল খোলার বিষয়ে ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি হল খুলে দিতে। কিন্তু সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আমরা হল খুলতে পারছি না। তবে বিভাগগুলোকে সমস্যাগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে অনেক বিভাগ শিক্ষার্থীদের আবাসনের ব্যবস্থা করেছে।

নবগঠিত কমিটিকে অভিনন্দন জানিয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, সাংবাদিকরা হলেন সমাজের দর্পন। তারা আমাদের সংকট ও সম্ভাবনাগুলো মানুষের সামনে তুলে ধরেন। আশা করি, সামনের দিনগুলোতেও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়কে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে সহযোগিতা করবেন।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল ইসলাম, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. রাশেদ তালুকদার এবং নবনির্বাচিত কমিটির সাংবাদিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।