সিলেট বিভাগে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত চব্বিশ ঘণ্টায় আরও ৩ ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে বিভাগে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩১৪ জনে। একই সময়ে সিলেট বিভাগে করোনাভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছে আরও ১৩০ জনের শরীরে। এছাড়া এই চব্বিশ ঘণ্টায় সিলেটে হাসপাতালে ও বাড়ি চিকিৎসাধীন আরও ১২৭ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

সোমবার (১৯ এপ্রিল) সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. সুলতানা রাজিয়া স্বাক্ষরিত কোভিড-১৯ কোয়ারেন্টিন ও আইসোলেশনের দৈনিক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৩০ জনের দেহে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব শনাক্ত হয়েছে। এদের নিয়ে সিলেট বিভাগে মোট করোনা প্রমাণিত রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ১৯ হাজার ৫৬৪ জনে। যাদের মধ্যে সিলেট জেলায় ১২ হাজার ৪৩৩ জন, সুনামগঞ্জে ২ হাজার ৬৭৫ জন, হবিগঞ্জ জেলায় ২ হাজার ২৩৪ জন ও মৌলভীবাজারে ২ হাজার ২২২ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগে শনাক্ত হওয়া ১৩০ জন করোনা আক্রান্ত রোগীর ৮৯ জনই সিলেট জেলার বাসিন্দা। এছাড়া বিভাগের সুনামগঞ্জে ৬ জন, হবিগঞ্জে ৩ জন ও মৌলভীবাজার জেলায় ১৪ করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এদিকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ১৮ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে।

একইদিনে সিলেট বিভাগে নতুন করে আরও ১২৭ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। যাদের মধ্যে ৮৬ জন সিলেট জেলার বাসিন্দা, ২৩ জন সুনামগঞ্জ জেলার, হবিগঞ্জের একজন ও মৌলভীবাজার জেলার ১৭ জন। এনিয়ে বিভাগে করোনা থেকে সুস্থ হওয়া রোগীর সংখ্যা ১৭ হাজার ৫৪৫ জন। যাদের মধ্যে সিলেট জেলায় ১১ হাজার ১৭৩ জন, সুনামগঞ্জে ২ হাজার ৫৭৭ জন, হবিগঞ্জ জেলায় ১ হাজার ৭৬৮ জন ও মৌলভীবাজারে ২ হাজার ২৭ জন।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সিলেট বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে ৩ জন রোগী। তাদের সকলেই সিলেট জেলার বাসিন্দা। এনিয়ে বিভাগে মৃত্যুবরণ করা মোট রোগীর সংখ্যা ৩১৪ জন। এর মধ্যে সিলেট জেলার ২৪৪ জন, সুনামগঞ্জে ২৬ জন, হবিগঞ্জে ১৮ জন এবং মৌলভীবাজারের ২৬ জন।

এদিকে সিলেটের চার জেলা মিলে ৩১৮ জন করোনা আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। যাদের ৩০০ জনই সিলেট জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে, সুনামগঞ্জে ৩ জন, হবিগঞ্জে ১২ জন ও ৩ জন মৌলভীবাজারে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এছাড়া গত চব্বিশ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগে ৯৫ জনকে নতুন করে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে। যাদের ৯৪ জনই সিলেট জেলার বাসিন্দা ও একজন মৌলভীবাজার জেলায়।