সিলেট বিভাগে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত চব্বিশ ঘণ্টায় আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে গতকাল রোববারও ৮ জনের মৃ্ত্যু হয়। টানা দুইদিনে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে এই বিভাগে। এ নিয়ে বিভাগে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩৩৭ জনে। একই সময়ে সিলেট বিভাগে করোনাভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছে আরও ৮৮ জনের শরীরে।

সোমবার (২৬ এপ্রিল) সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. সুলতানা রাজিয়া স্বাক্ষরিত কোভিড-১৯ কোয়ারেন্টিন ও আইসোলেশনের দৈনিক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৮ জনের দেহে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব শনাক্ত হয়েছে। এদের নিয়ে সিলেট বিভাগে মোট করোনা প্রমাণিত রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ২০ হাজার ৩২০ জনে। যাদের মধ্যে সিলেট জেলায় ১৩ হাজার দুইজন, সুনামগঞ্জে ২ হাজার ৭১৬ জন, হবিগঞ্জ জেলায় ২ হাজার ৩২০ জন ও মৌলভীবাজারে ২ হাজার ২৮৮ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগে শনাক্ত হওয়া ৮৮ জন করোনা আক্রান্ত রোগীর ৫৩ জনই সিলেট জেলার বাসিন্দা। এছাড়া বিভাগের সুনামগঞ্জে ২ জন, হবিগঞ্জে ৫ ও মৌলভীবাজারে ৯ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এদিকে সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ১৯ রোগীর শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে।

একইদিনে সিলেট বিভাগে নতুন করে আরও ১৬৬ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। যাদের মধ্যে ১৩৬ জন সিলেট জেলার বাসিন্দা, সুনামগঞ্জ জেলার বাসিন্দা ১৯ জন ও মৌলভীবাজার জেলার ১১ জন। এনিয়ে বিভাগে করোনা থেকে সুস্থ হওয়া রোগীর সংখ্যা ১৮ হাজার ৬০৯ জন। যাদের মধ্যে সিলেট জেলায় ১২ হাজার ১৩৫ জন, সুনামগঞ্জে ২ হাজার ৬০৪ জন, হবিগঞ্জ জেলায় ১ হাজার ৭৭০ জন ও মৌলভীবাজারে ২ হাজার ১০০ জন।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সিলেট বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে ৫ জন রোগী। তাদের ৪ জনই সিলেট জেলার ও একজন সুনামগঞ্জের বাসিন্দা। এনিয়ে বিভাগে মৃত্যুবরণ করা মোট রোগীর সংখ্যা ৩৩৭ জন। এর মধ্যে সিলেট জেলার ২৬৫ জন, সুনামগঞ্জে ২৭ জন, হবিগঞ্জে ১৮ জন এবং মৌলভীবাজারের ২৭ জন।

এদিকে সিলেটের চার জেলা মিলে ২৬৬ জন করোনা আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। যাদের ২৪২ জনই সিলেট জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে, সুনামগঞ্জে ৪ জন, হবিগঞ্জে ১৩ জন ও ৭ জন মৌলভীবাজারে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এছাড়া গত চব্বিশ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগে ৬৬ জনকে নতুন করে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে। যাদের সকলেই সিলেট জেলার বাসিন্দা।