ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে হিন্দু ধর্মের অন্যতম স্বরস্বতি পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার মন্ডপে মন্ডপে মন্ত্রউচ্চারণের মধ্য দিয়ে জ্ঞান, বিদ্যা ও সুরের দেবী সরস্বতীর বন্ধনা করা হয়।

শাস্ত্রমতে প্রতি বছর মাঘ মাসের শুক্লাপঞ্চমী তিথিতে সরস্বতী পুজা অনুষ্টিত হয়।

সকালে প্রতিটি পুজা মন্ডপে পুজার নানান উপাচার, বই খাতা, কলমসহ বিভিন্ন উপাদান সজ্জিত করে পুরোহিত মন্ত্রপাঠ করে পুজা সম্পাদন করার পর শিক্ষার্থী ও অন্যান্য পুজারীবৃন্দের মাঝে পুস্পাঞ্জলী প্রদান করেন। বিকাল থেকে রাত প্রায় ১২টা পর্যন্ত প্রতিটি পুজা মন্ডপে প্রতিমা দর্শনের জন্য ভক্তবৃন্দের উপচেপড়া ভীড় দেখা যায়।

মা সরস্বতী জ্ঞানদায়িনী বিদ্যাদেবী সরস্বতী শ্বেতশুভ্র বসনা। তাঁর এক হাতে বীণা অন্য হাতে বেদপুস্তক। অর্থাৎ বীণাপানিতে যার তিনি বীণাপানি-সরস্বতী। আর এ থেকেই বাণী অর্চনার প্রচলন।

প্রতিবছর মাঘ মাসের শুল্ক পক্ষের পঞ্চমী তিথিতে শ্বেতশুভ্র কল্যাণময়ী বিদ্যাদেবীর আবাহন করা হয়। ঢাকা-ঢোল-কাঁসর আর শঙ্খধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠবে হবিগঞ্জসহ সারাদেশের বিভিন্ন পূজামন্ডপ।

সরস্বতী বিদ্যার ও ললিতকলার অধিষ্ঠাত্রী দেবী হিসেবে পূজিত হন। ঐশ্বর্যদায়িনী, বুদ্ধিদায়িনী, জ্ঞানদায়িনী, সিদ্ধিদায়িনী, মোক্ষদায়িনী এবং শক্তির আধার হিসেবে সরস্বতী দেবীর আরাধনা করা হয়।