প্রাণী সম্পদ বিভাগ থেকে করোনা কালীন পরিস্থিতিতে জনসাধারণের প্রাণিজ পুষ্টি নিশ্চিতকল্পে গত (১২ এপ্রিল) জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান আনুষ্ঠানিকভাবে ভ্রাম্যমান দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রয় কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

রঙ্গীন সাজে সজ্জিত করে চারদিকে প্রচার প্রচারণার মাধ্যমে উদ্বোধন করা হলেও উদ্বোধনের পর দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। জেলা প্রাণী সম্পদ বিভাগ থেকে ভ্রাম্যমান ট্রাক কিংবা কোল্ড ভ্যানে বিক্রির কোন চিহ্নই নেই। শুধুমাত্র খামারীরা তাদের নিজস্ব কৌটা আর খাচার মাধ্যমে দুধ ও ডিম নিয়ে এসে বিক্রি করেন। প্রতি লিটার দুধের কেজি ৭০ টাকা, প্রতি পিছ ডিমের দাম ৬ টাকা। তবে মাংসের কোন বালাই নেই। মাংস শুধু ব্যানারে আছে।

এক্ষেত্রে দুধ সংরক্ষণের জন্য জেলা প্রাণী সম্পদ বিভাগের কোল্ড ভ্যান নেই। যেখানে দুধ সংরক্ষণ করবে এবং পরে তা সাধারণের মাঝে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করবে। ব্যানারে লেখা আছে, ন্যায্যমূল্যে দুধ ডিম মাংস বিক্রি করা হয়। সাধারণ ক্রেতাদের অভিমত, খুচরা পর্যায়ে দুধ প্রতি লিটার ৭০/৮০ টাকায় পাওয়া যায়। তাহলে এখানে ন্যায্যমূল্য হলোটা কোথায়?

সদর উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. রনজিত কুমার আচার বলেন, ১০ দিন ব্যাপি এ কার্যক্রমটি চালু হয় ৭ এপ্রিল থেকে। আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয় ১২ এপ্রিল। জনসাধারণের চাহিদার উপর নির্ভর করে এটা আরো দীর্ঘমেয়াদী হতেও পারে। তবে এগুলো খামারীরা বিক্রি করে আমরা শুধু তদারকি করি। মাংস বিক্রির কোন ব্যবস্থা নেই।

এবিষয়ে হবিগঞ্জ জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. প্রকাশ রঞ্জন বিশ্বাসের কাছে মাংসের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাস্তবে আমরা কোন মাংস বিক্রি করি না কিংবা আমাদের কোন কোল্ড ভ্যান নেই যে আমরা সংরক্ষণ করে বিক্রি করব। খামারীরা দুধ ও ডিম নিয়ে এসে বিক্রি করে। আমরা শুধু তার তদারকি করি। আমরা নিজেরা কোন সংরক্ষণ কিংবা ব্যবস্থাপনা করি না।