দিনরাত ডেস্ক : আশঙ্কার গর্তেই পড়ল বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে গুটিয়ে গেল ১৫০ রানে। দ্বিতীয় সেশনে চার ব্যাটসম্যান ফিরে যাওয়ার পরই বড় বিপদে পড়েছিল বাংলাদেশের ইনিংস। শেষ সেশনে ঝটপট শেষ তিন উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেমে গেল ১৫০ রানে।

দলের ১৫০ রানের সামান্য স্কোরে সর্বোচ্চ ৪৩ রান আসে মুশফিক রহিমের ব্যাট থেকে। বোলিং সহায়ক উইকেটে কোনো জায়গায় বল ফেলা উচিত- সেটা দুর্দান্তভাবে করে দেখায় ভারতীয় বোলাররা। সবমিলিয়ে চারটি ক্যাচ মিস করার পরও তারা বাংলাদেশকে গুটিয়ে দিল প্রথম দিনের আড়াই সেশনের মধ্যেই।

ভারতের দুরন্ত পেস এবং কুশলী স্পিনের সম্মিলিত শক্তির কোনো জবাবই দিতে পারেননি বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা প্রথম ইনিংসে। দিনের প্রথম সেশনে বাংলাদেশ হারায় ৩ উইকেট। তুলে ৬৩ রান। দ্বিতীয় সেশনে হারায় ৪ উইকেট। রান করে এই সেশনে ৭৭। আর সেশনে চটজলতি হারায় বাকি ৩ উইকেট। শেষের এই সেশনে যোগ করে মাত্র ১০ রান।

সকালে বোলিং ঝড়ের শুরু করেছিলেন ইশান্ত শর্মা ও উমেশ যাদব। পেস বোলিংয়ে সেই ঝড়ের গতিবেগ বাড়িয়ে মোহাম্মদ শামি বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থামিয়ে দিলেন ১৫০ রানের মামুলি স্কোরে।

ভারতের তিন পেসার ও স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন বাংলাদেশের উইকেটগুলো ভাগাভাগি করে নেন।

বিদেশের মাটিতে পেছনের পাঁচ টেস্টের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ মাত্র একবার দুশো রানের বেশি করেছে। তবে এই পাঁচ টেস্টের কোনটিতেই বড় হার এড়াতে পারেনি। সম্ভাব্য হারের সেই ধারাবাহিকতারই স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে ইন্দোর টেস্টের প্রথম ইনিংসও!

বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ১৫০/১০ (৫৮.৩ ওভারে, ইমরুল ৬, সাদমান ৬, মিঠুন ১৩, মুমিনুল ৩৭, মুশফিক ৪৩, মাহমুদউল্লাহ ১০, লিটন ২১, মিরাজ ০, তাইজুল ১, আবু জায়েদ ৭*, এবাদত ২, অতিরিক্ত ৪, শর্মা ২/২০, যাদব ২/৪৭, শামি ৩/২৭, অশ্বিন ২/৪৩)।