অনিবন্ধিত সব নিউজ পোর্টাল বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশের পরের দিন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদও একই সুরে কথা বলেছেন। দেশে এত বেশি অনলাইন থাকার যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

সচিবালয়ে বুধবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে এত বেশি অনলাইনের প্রয়োজনও নেই। থাকা সমীচীনও নয়।’

তিনি বলেন, ‘অনলাইন বন্ধ করে দেয়ার বিষয়ে আদালত যে নির্দেশ দিয়েছে সেটি আমরা গণমাধ্যমে শুনেছি। এখনও নোটিশ পাইনি। আদালতের নির্দেশ পেলে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে আমরা কিছু অনলাইন বন্ধ করে দেবো। তবে ঢালাওভাবে সব বন্ধ করাটাও ঠিক হবে না।’

নিউজ পোর্টালের পাশাপাশি ইউটিউব চ্যানেল ও আইপি টিভিও রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘রেজিস্ট্রেশন একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। এ বিষয়টি আমরা আদালতের নজরে আনব। একই সঙ্গে ইউটিউব চ্যানেল ও আইপি টিভিও রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনা হবে।’

এক রিটের শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার বেঞ্চ দেশের সব অনিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল বন্ধের আদেশ দেয়।

এর আগে গত ১৬ আগস্ট অনলাইন পত্রিকার সাংবাদিকদের জন্য ‘নৈতিক নীতিমালা’ প্রণয়নে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিল আদালত।

সেই সঙ্গে ‘ন্যাশনাল অনলাইন মাস মিডিয়া পলিসি ২০১৭’ অনুযায়ী দেশে অননুমোদিত এবং অনিবন্ধিত অলাইন পত্রিকাগুলোকে কেন বন্ধের নির্দেশ দেয়া হবে না জানতে চাওয়া হয়।

পাশাপাশি অপেক্ষমান থাকা অনিবন্ধিত পত্রিকাগুলোকে নিবন্ধনের আওতায় আনতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না তাও জানতে চাওয়া হয় রুলে।